হে বংগবীর আমাদের ক্ষমা করুন ।

বংগবীর আমার সংগ্রামী সালাম আপনার প্রতি । আশা করি পরম করুনাময় আল্লাহর অশেষ রহমতে শারীরিক দিক দিয়ে সুস্হ্য আছেন । আমর ক্ষু্দ্র চিন্তায় যত টুকু মনেহয়  মানসিক ভাবে আপনি মোটেও ভাল নেই আর সেটাই খুব স্বাভাবিক । আমরা বংলাদেশিরা ক্রমানয়ে একটা অসুস্হ্য মানসিক জাতিতে পরিনত হতে চলছি । আজ আমরা বড়ই স্বার্থ পর নিলজ্জ জাতিতে পরিনত হতে চলছি ।আজ আমাদের দেশের সংখাগুরু রাজণীতিক দল গুলি ক্রমানয়ে আমাদের ভুলপথে ধাবিত করছে আর আমরঅ অণ্ধ বিশ্বাশে তাদের অনুকরন করছি । আজ আমরা নতুন প্রজন্ম প্রা্য ভুলতে বসেছি কোন টা ঠিক আর কোনটা বেঠিক । কোন ব্যাক্তি কোন সম্মান এর যোগ্য বা কার অবদান কে কিভাবে মূল্যায়ন করতে হবে । এ টাই আজ আমাদের তরুন ও যুবকদের জন্য চরম দুরভাগ্যের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে । আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সে দিন খুবই মানষিক ভাবে কষ্ট পেয়েছি যেদিন শাহাবাগ থেকে কোথাকার কোন ছেলে এসে বললো আপনার কাছ থেকে নাকি সমগ্র বাংগালী জাতির পক্ষ থেকে ১৯৭১ এর আপনার সেই বীরত্ব পূর্ন অবদানের জন্য সমান্য তম সম্মান বংগবীর উপাধি কেড়ে নিবে । আজ ষহুধু আমার মণের ভিতর একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এত বড় সাহস এদের কে কারা যোগাচ্চছে ? কারা তাদের মদদ দিচ্ছে । এর ই যদি ধারাবাহিকতা বজায় থাকে তা হলে হয়তো অদুর ভবিষ্যতে জাতির জনক বংগবন্ধুকে উদ্দেশ্য করে ও কোন এক জায়গা থেকে ডাক আসবে যে তার কাছ থেকে ও বাংগাললী জাতির দেওয়া  জাতির জনক ও বংগবন্ধু উপাধি কেরে নেওয়া হবে । কার কোন উপাধি ই কাউকে রষ্ট্রীয় ভাবে দেওয়া হয়না  সব গুলিই বাঙলার মানুষের ভালবাসার ই ফল । আমি আরো ব্যাথিত হয়েছি যেদিন আপনার বড় ভাই শ্রদ্ধেয় লতিফ সিদ্দিকী সাহেবের বক্তব্যে তিনি তো একজন বড়মাপের রজনিতীবিদ তার মুখ থেকে এধরনের প্রভুখুশী বক্তব্য কিভেবে এলো । বংগবীর আপনিতো বাংগালীর সে চরম বিপদের দিনে জাতি কে অসহায় অবস্হায় রেখে কোন ইদুরের গর্তে লুকান নি এমন কি পাশ্ববর্তী দেশে পালিয়ে  যান নি । ৭১ এর সেই মহাবিপদের দিনে আপনি ই তো কাদীরিয়া বাহিনী গঠন করে জীবন বাজিরেখে দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিলেন দেশকে স্বাধীন করেছিলেন আপনাদের জন্যই তো আজ আমরা বিষহ্বের দরবারে মাথা উচু করে নিজেদের বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিতে পাড়ি । জাতির জনককে স্বপরিবরে হত্যার পর আজকের বড় বড় নেতারা কে ষেদিন মুখে কুলুপ দিয়ে ইদুরের গর্তে লুকিয়েছিল কেন ই বা তারা মুস্তাক , জিয়া বা এরশাদের সরকারের দালালী করে ছিল ? আজ আবার তারাই বড় বড় কথা বলছে । সময় টেলিভিশন, একাত্তর টেলিভিশন, একুশে টেলিভিশন, আরটিভি , বিটিভি বা দিগন্ত টেলিভিশন কোনটার মধ্যে ই তফাত নেই সব ই সরকারের অনুমতি নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে । তাই আমরা চাই দিগন্ত টেলিভিশনে আপনি ” সবার উপরে দেশ ” অনুষ্ঠানটি আরো জাড়ালো ভাবে চালিয়ে যান । পরিশেষে আপনার কাছে করজোরে ক্ষমা প্রার্থনা করবো গুটিকয়েক স্বার্থপর পথভ্রষ্ট তরুন বা যুবকের জন্য সমগ্র নতুন প্রজন্মের উপর মনক্ষুন হবেন না । গুটিকয়েক স্বার্থপর পথভ্রষ্ট তরুন বা যুবকের ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তির জন্য বাংলাদেশের সমগ্র নতুন প্রজন্মের পক্ষ থেকে আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থী । আশা করি আপনি সকল রাগ ও অভিমান ভুলে যেয়ে আপনার সন্তান ভেবে বাংলার সমগ্র তরুন ও যুবক অর্থাৎ সমগ্র নতুন প্রজন্ম কে ক্ষমা করে দিবেন । আল্লাহ আপনার চলার পথকে সুগম করুন ও আপনার নেক দীর্ঘায়ু দান করুন । – আমিন

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s